1. nurnobi.kuet16@gmail.com : Md Nur Nobi Khan : Md Nur Nobi Khan
  2. admin@manabatarkontho.com : admin24 :
  3. afruja@gmail.com : Afruja Talukder : Afruja Talukder
  4. manabatarkontho@gmail.com : Afroja Talukder : Afroja Talukder
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:০৬ অপরাহ্ন

অভিমান করে চলে গেল আট বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটি

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

মানবতার কণ্ঠ ডেস্ক

বারবার দম বন্ধ হয়ে যেতে চাইছিল তার। হৃদপিন্ডের হাহাকারের স্পন্দন সমগ্র বাংলাদেশ টের পাচ্ছিল। বন্ধ হওয়া হৃদয়টাকে প্রচণ্ড শক্তিকে ধাক্কা দিলেও বা কি? সে ফিরবে না। বড় বেশি অভিমানী আছিয়া।

বুকের উপরে ওড়না জড়ানো ছিল না তাই কি ধর্ষিত হলাম। কিন্তু বুকের কাপড় কি? আমি তো এখনো বুকের কাপড় সম্পর্কে বুঝার ক্ষমতাই অর্জন করি নাই। তবে কেন আমি ধর্ষিত হলাম। ডাক্তার বার বার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। এক ডাক্তারবাবু তো বলেই বসলেন তোমার দায়িত্ব আমি নিব। তবুও তুমি চোখ খোল। আছিয়া বলে আমি বেঁচে থাকলে সমাজ আমার নাম দিবে ধর্ষিতা। আমি ফিরব না তোমরা যতই চেষ্টা করো। অসহ্য যন্ত্রণা আমার শরীরে বহমান ছিল কিন্তু তোমাদের মনে। আমার ক্ষত মাটিতে চাপা পড়বে কিন্তু তোমাদের ক্ষত কি দিয়ে ডাকবে।

বড় অভিমানী ছিল শিশুটি। আট বছরের ছোট্ট শরীরে বেঁচে থাকার কোনো শক্তি হয়তো ছিল না।

কিন্তু বেঁচে যাওয়া আছিয়া কি সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়িযতে পারতো?

সমাজ কি তাকে ধর্ষিতা আছিয়া উপাধি দিতে কার্পণ্য করতো?

তার থেকে এই হতো ভালো হলো, আছিয়া মৃত্যু দিয়ে সমাজের মূখে চুলকানি দিয়ে গেলো।

এই সমাজে প্রতিদিন আছিয়ারা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। শিশু কিশোর যুবতী এমনকি বৃদ্ধ কেউই এই সমাজের নির্মমতার হাত থেকে রক্ষা পায় না। শুধু একবার ধর্ষিত হয়েই এই সমাজের আসিয়ারা কষ্ট পায় না ধর্ষিত জীবন বয়ে নিতে হাজার বার নির্যাতিত হতে হয় এই আছিয়াদের।

যেন ধর্ষণের শিকার আছে এরা জোরপূর্বক হয়েছে। সব দোষ এই আছিয়াদের।

আজকের ৮ বছরের অভিমানী আছিয়া নির্যাতিত হয়েই এই সমাজের আর কোনো অভিযোগ করবে না। সাদা কাফনে মোড়ানো ছোট্ট নিথর দেহটি, সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিল কত নির্মম কত নিষ্ঠুর এই পৃথিবী, একটি সুন্দর আগামী প্রজন্মকে অংকুরে ঝরে যেতে বাধ্য করলো।

আজকে হয়ত দেশজুড়ে অনেক নিন্দা, অনেক প্রতিবাদ হচ্ছে। সকলের শুধু দোষীদের ফাঁসি চাইছে। কিন্তু একজন ধর্ষণকারীর বিচার হলে তো হবে না সমাজ থেকে ধর্ষণের নির্মূল করতে হবে ‌ স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে দিতে হবে প্রতিটি আছিয়া কে।  কিন্তু কবে থেকে?

Discover more at Max-Zero

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2024 Manabatar Kontho
Theme Customized By BreakingNews

Powered by Max-Zero