1. nurnobi.kuet16@gmail.com : Md Nur Nobi Khan : Md Nur Nobi Khan
  2. admin@manabatarkontho.com : admin24 :
  3. afruja@gmail.com : Afruja Talukder : Afruja Talukder
  4. manabatarkontho@gmail.com : Afroja Talukder : Afroja Talukder
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৩৮ অপরাহ্ন

লক্ষ্যমাত্র ১৭৯ মে.টন থাকলেও আমনের চাল উৎপাদন হয়েছে ১৫৭ লক্ষ মে. টন

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

মানবতার কণ্ঠ ডেস্ক

দেশে এই মৌসুমে উৎপাদিত আমন ধান থেকে ১৫৬.৮৯ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়েছে, সেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭৮.৭৪৩ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের। তবে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে মোট আমন ধান কর্তন করা হয়েছে শতকরা ৮৯ শতাংশ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন বিভাগ তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এই তথ্য জানা যায়।

আমনের মৌসুমে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে এই ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও বৃহত্তর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। একইসঙ্গে বাজারে ধানের দামও ভালো। বাজারে এখন নতুন আমন ধানের মণ ১২০০-১৩০০ টাকার মত বিক্রি হচ্ছে। ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসবের ও তাই ভিন্ন আমেজ চলছে।

জানা যায়, এবার ৫৯.৫৬৮ লক্ষ্য হেক্টর জমিতে আমনের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু কিছু জমি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হ‌ওয়ার কারণে ৫৮.৫৬ লক্ষ্য হেক্টর জমিতে এবার ধানের চাষ করা হয়। শেষ পর্যন্ত ধান টিকিয়ে রাখা যায়, ৫৬.৭১ হেক্টর জমিতে। ইতিমধ্যে ৫৬.৫৬ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে।

এবার আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ৪০ কোটি ৪ লাখ টাকার প্রণোদনা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল আগের আওয়ামী লীগ সরকার। ৬১টি জেলার ৫ লাখ ৬৬ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এ প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পাবেন। একজন কৃষক এক বিঘা জমিতে চাষের জন্য রোপা আমন ধানের উচ্চফলনশীল (উফশী) জাতের প্রয়োজনীয় ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে পাবেন।

গত ২০২৩ -২৪ অর্থ বছরে আঊস ,আমন এবং বোরো মিলিয়ে মোট ৪ কোটি ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়েছিল। যা সারা বছর দেশের সব মানুষের খাবারের চাহিদা মেটাতে সক্ষম ছিল। যদিও সরকার কোন দুই এক সময় চাল আমদানির ঘোষণা দিয়েছিল।

উৎপাদিত চালে দেশের চাহিদা মিটলেও সরকার কেন বাইরে থেকে চাল আমদানি করেছিল তার কারণ হিসেবে বিশেজ্ঞরা বলছে, দেশে সব সময় তিন মাসের খাদ্য মজুদ রাখতে হয়। আবার গৃহপালিত অনেক পশুকে এবং বিভিন্ন খামারে গরু-ছাগল- হাস-মুরগীকে খাদ্য হিসেবে চাল থেকে তৈরি খাবার খাওয়ানো হয়। ফলশ্রুতিতে কিছু পরিমান চাল আমদানি করা আবশ্যক হয়ে দাঁড়ায়।

উল্লেখ্য বন্যা তথা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবার তুলনামূলক বেশি হ‌ওয়া সত্ত্বেও ১৫৬.৮৯ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং । তারা বোরো এবং আঊস দিয়ে সারা বছরের চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে প্রত্যাশা করছেন।

Discover more at Max-Zero

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2024 Manabatar Kontho
Theme Customized By BreakingNews

Powered by Max-Zero