নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীতে বিক্ষোভকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সহ-সমন্বয়কারীসহ চার শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর পল্টন মোড়ে বিক্ষোভকালে তাদের আটক করা হয়।
আটক চারজনের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সহ-সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেজবাহ ও রাফি নামে একজন রয়েছেন। বাকিদের নাম জানা যায়নি।
এর আগে পল্টন মোড়ে আট থেকে দশজন আন্দোলনকারীকে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তারা ছাত্র হত্যার বিচার ও আটকৃতদের মুক্তির দাবিতে নানা স্লোগান দিতেও দেখা যায়। এ সময় পল্টন মোড়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এর একপর্যায়ে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য ডেকে নিয়ে আসেন। পরে মেজবাহ ও রাফি কথা বলতে এগিয়ে গেলে তাদের আটক করা হয়। অন্য দুইজনকে সড়ক থেকে ধরে আনা হয়।
এর আগে, গতকাল ডিবি কার্যালয়ে হেফাজতে থাকা আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ক কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমাদের প্রধান দাবি ছিল কোটার যৌক্তিক সংস্কার। এটি সরকার ইতোমধ্যে পূরণ করেছে। এখন শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাই। সার্বিক স্বার্থে আমরা এই মুহূর্ত থেকে আমাদের সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।’
এদিকে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে উল্লেখ করে সারা দেশে আজ সোমবার ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সমাবেশ ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
গতকাল রোববার রাত পৌনে ১২টার দিকে আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি দেয়া হয়। গণমাধ্যমকর্মীদের এটি দেন আরেক সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
এতে বলা হয়, ‘সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ও ছাত্রলীগের আক্রমণে নিহত শত শত শহিদের আত্মত্যাগ তিরস্কার করে ডিবি কার্যালয়ে বন্দুকের নলের মুখে জিম্মি করে সমন্বয়কদের মাধ্যমে জোরপূর্বক স্ক্রিপ্টেড বিবৃতি আদায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের দাবি আদায়ে আমরা অবিচল ছিলাম, রয়েছি এবং থাকব।
Discover more at Max-Zero
Powered by Max-Zero
Leave a Reply